বালিকার চন্দ্রযান



BDT160.00
BDT200.00
Save 20%

‘মাহজাবীন আবার সোফায় গিয়ে জোড়াসন হয়ে বসে। 

আবার সে সিগারেট ধরায়। চন্দনা কার্পেটের ওপর, পায়ের কাছে বসে। মুখোমুখি হয়ে।

একের পর এক সিগারেট ধরাইতেছ?

হ্যাঁ, একটি দৌড়ের ভেতরে বর্তমানে আছি।

কী ব্যাপার? সঙ্গে একটি ভারী ব্যাগও দেখিতেছি। 

কী আছে উহাতে?

ইয়াসমিনের কাপড়। পৌঁছাইয়া দিতে হইবে।

বুঝিলাম না।

ইয়াসমিন বাড়ি ছাড়িয়াছে। আজ কন্যা দেখিবার জন্য এক ষাঁড়ের আসিবার কথা! ইহা ব্যতীত পথ ছিল না।

আবার শিস দেয় চন্দনা। জিজ্ঞেস করে, বাড়ির পরিস্থিতি কী?

মাম কাঁদিতেছে। ড্যাডি কাঁদিতেছে। উহারা বুঝে না। উহারা বাঙালিই রহিয়া গেল।’ 

Quantity


  • Security policy (edit with Customer reassurance module) Security policy (edit with Customer reassurance module)
  • Delivery policy (edit with Customer reassurance module) Delivery policy (edit with Customer reassurance module)
  • Return policy (edit with Customer reassurance module) Return policy (edit with Customer reassurance module)

মি. আলী সপরিবার লন্ডনপ্রবাসী। তাদের তিন মেয়ে। তারা ব্রিটেনে বড় হচ্ছে কিন্তু বাঙালি মা-বাবার নজরদারির জন্য তারা তাদের ব্রিটিশ বন্ধুদের মতো স্বাধীনতা ভোগ করতে পারছে না। যেহেতু মিনার বয়স ১৬ পেরিয়েছে, পুলিশও চাইলে তাকে ফিরিয়ে আনতে পারবে না, তাই সে এককাপড়ে বেরিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে এক পরিত্যক্ত বাড়িতে। বন্ধুরা সেখানে নেশা করে, রাস্তায় ছিনতাই করে আর জোড়ায় জোড়ায় মিলিত হয় শারীরিকভাবে। এ স্বাধীনতার আনন্দটুকু অনুমান করেছিল মিনা, কিন্তু এসব ব্রিটিশ বন্ধু যে শেষ পর্যন্ত হঠকারী, এশীয়দের মনে করে ‘বাদামি শুয়োর’ আর ‘বাদামি কুক্কুরী’—এটা বুঝতে মিনার দুই দিনও লাগে না। এর মধ্যেই, নেশা করে ঘুমের মধ্যে মিনা কখন তার কুমারীত্ব হারিয়েছে, টেরই পায়নি। সব বুঝতে পেরে সে হাজির হয় নিজেদের বাসার দরজায়, ‘মাম, আমি ঢাকা যাব।’ কিন্তু ফেরা কি এত সহজ? তখন আমরা হাহাকার শুনি মি. আলীর কণ্ঠে, ‘উহাদের কোনো স্বদেশ নাই।’

সৈয়দ শামসুল হক তাঁর অসামান্য ভাষায় লিখেছেন বালিকার চন্দ্রযান। এ উপন্যাসে শিকড়হীন উদ্বাস্ত্ত হৃদয়ের হাহাকার পাঠককে আপ্লুত করবে। 

Reviews

good product

| 10/12/2018

না।<br /> <br /> ইয়াসমিন বাড়ি ছাড়িয়াছে। আজ কন্যা দেখিবার জন্য এক ষাঁড়ের আসিবার কথা! ইহা ব্যতীত পথ ছিল না।<br /> <br /> আবার শিস দেয় চন্দনা।