১৬০.০০ টাকা ২০% ছাড় ২০০.০০ টাকা

‘ওই দুর্ভিক্ষের কালে নেমন্তন্ন কি গমের গরম রুটি খাওয়ার ভাগ্য রোজ হয়? ঈদগা মাঠে লঙ্গরখানার ভোজে একবার সে কলার পাত পেতে বসেছিল। ভাপ ওড়ানো হলুদ ঢলঢলে খিচুড়ি। পরিবেশনকারী ছিলেন মজিবরদা। তার পাতে খিচুড়ি দিতে গিয়েই চট করে হাতা তুলে নেন তিনি, সিদ্দিক ডাক্তারের ব্যাটা বলে তাকে চিনতে পারেন, ধমক দিয়ে ওঠেন, ওঠ! ভুখা মানুষের লঙ্গর! তুই ক্যানে হেথায়? বাড়ি যা!’

 

—সৈয়দ শামসুল হক 

পছন্দের তালিকায় রাখুন

বইয়ের বিবরণ

সৈয়দ শামসুল হকের শৈশব-কৈশোরের স্মৃতিকথা। কী বিচিত্র সেই স্মৃতির রং। তেতাল্লিশের মন্বন্তরের সময় থেকে শুরু করে শেষ হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি এবং পরাধীন ভারত যে স্বাধীন হবে সেই আবহের সূচনালগ্নের ভেতর দিয়ে। কুড়িগ্রামের মতো মফস্বল শহর, তার জনজীবন, ধরলা নদী, তার উৎসব পার্বণ, জনজীবনের সঙ্গে বাদশার—সৈয়দ হকের ডাকনাম—গভীর সখ্য, পাঠককে থেকে থেকেই নিয়ে যাবে সেই কালপর্বটিতে, যা ভুলবার নয়, চিরকাল মনে রাখবার। 

আলোর উৎস কিংবা ডিভাইসের কারণে বইয়ের প্রকৃত রং কিংবা পরিধি ভিন্ন হতে পারে।

সৈয়দ শামসুল হক

জন্ম ২৭ ডিসেম্বর ১৯৩৫, কুড়িগ্রাম। কবিতা, গল্প, উপন্যাস, কাব্যনাট্য ও প্রবন্ধ মিলে তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ প্রায় দুই শ। আদমজী সাহিত্য পুরস্কার, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, নাসিরউদ্দীন স্বর্ণপদক, জেবুন্নেসা-মাহবুবউল্লাহ্‌ স্বর্ণপদক, আলাওল সাহিত্য পুরস্কার, রাষ্ট্রীয় একুশে পদক, স্বাধীনতা পদকসহ নানা পুরস্কার পেয়েছেন। মৃত্যু ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬।

এই লেখকের আরও বই
এই বিষয়ে আরও বই
আলোচনা ও রেটিং
০(০)
  • (০)
  • (০)
  • (০)
  • (০)
  • (০)
আলোচনা/মন্তব্য লিখুন :

আলোচনা/মন্তব্যের জন্য লগ ইন করুন