পুষ্পকুন্তলা : বিপ্লবী সূর্যসেনের জীবনসঙ্গী

লেখক: মালেকা বেগম

বিষয়: জীবনী/আত্মকথা/স্মৃতিকথা

১৫০.০০ টাকা ২৫% ছাড় ২০০.০০ টাকা

চঞ্চল এবং মুখরা ছিল বলে অপরূপা পুষ্পকুন্তলাকে সবাই ডাকত কডকডি। বিয়ে হলো, কিন্তু বাসর রাতেই স্বামী বিপ্লবী সূর্য সেন জানিয়ে দিলেন তাঁর দলের কাছে স্ত্রীসঙ্গ-বর্জিত জীবনে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ১৬ বছরের তরুণী পুষ্প কীভাবে সইলেন এই প্রচণ্ড আঘাত? ৯ বছরের বিবাহিত জীবনে স্বামীসঙ্গ পাননি, তবু, স্বামীর বৈপ্লবিক আদর্শকে তিনি মনে-প্রাণে গ্রহণ করেছিলেন। টাইফয়েড রোগে তাঁর মৃত্যু হয়।  পুষ্পকুন্তলার এই জীবনী একজন বিপ্লবীর জীবনসঙ্গিনীর গভীর বেদনাকে তুলে ধরেছে। 

পছন্দের তালিকায় রাখুন

বইয়ের বিবরণ

পুষ্পকুন্তলা। বিপ্লবী সূর্য সেনের জীবনসঙ্গিনী। ১৯১৯ সালে বিয়ের সময় পুষ্পকুন্তলা ১৬ বছরের তরুণী। বিয়ে হলো কিন্তু বাসররাত হয়ে উঠল বিচ্ছেদের রাত। কারণ বিপ্লবী তাঁর দলের কাছে ব্রহ্মচর্য অর্থাৎ মৈথুনবর্জিত জীবনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিলেন। সূর্য সেন তাঁর বাসররাতে পুষ্পকুন্তলাকে বললেন, তাঁর বিপ্লবী দলের নিয়ম অনুযায়ী তাঁর জীবন স্ত্রীসঙ্গ-বর্জিত। চরম হতাশা গ্রাস করে এই তরুণীকে। বাসর রাতের দু-একদিন পরই চলে যান সূর্য সেন; বিপ্লবী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে জেলে যান। তারপর পুষ্পকুন্তলার শুধুই স্বামীর প্রতীক্ষা! ৯ বছরের বিবাহিত জীবনে মাত্র তিনবার স্বামীর দেখা পান পুষ্পকুন্তলা, তিনবারই ব্যর্থ হন স্বামীর গভীর সাহচর্য থেকে। তরপরও স্বামীর বিপ্লবী কর্মকাণ্ড তাঁকে অনুপ্রাণিত ও উদ্বুদ্ধ করেছিল তাঁর সহযাত্রী হতে। টাইফয়েড রোগে আক্রান্ত হয়ে স্বামীর কোলে মাথা রেখে পুষ্পকুন্তলার মৃত্যু হয়।

আত্মকাহিনির আদলে মালেকা বেগমের লেখা এ বই আমাদের জাতীয় ইতিহাসের একটি নির্দিষ্ট কালপর্বের চিত্র তুলে ধরেছে। পুষ্পকুন্তলার আত্মত্যাগের ঘটনা পাঠককে গভীরভাবে আপ্লুত করবে। 

আলোর উৎস কিংবা ডিভাইসের কারণে বইয়ের প্রকৃত রং কিংবা পরিধি ভিন্ন হতে পারে।

মালেকা বেগম

জন্ম ১৯৪৪ সালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর। পরে সমাজবিজ্ঞানেও স্নাতকোত্তর করেছেন। পিএইচডি (২০০৪) করেছেন একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন স্টাডিজ সেন্টার থেকে পোস্ট ডক্টরাল (২০১১)। ষাটের দশকের শুরু থেকে নব্বইয়ের দশক পর্যন্ত ছাত্র ও নারী আন্দোলনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদিকা। মহীয়সী নারী কবি সুফিয়া কামালের সাহচর্যধন্য এই নারীনেত্রী মুক্তিযুদ্ধেরও সক্রিয় সংগঠক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেন্ডার অ্যান্ড উইমেন স্টাডিজ বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক। বর্তমানে সেন্ট্রাল উইমেন্স ইউনিভার্সিটির সোশিওলজি অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ও প্রধান। প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ২৮।

এই লেখকের আরও বই
এই বিষয়ে আরও বই
আলোচনা ও রেটিং
০(০)
  • (০)
  • (০)
  • (০)
  • (০)
  • (০)
আলোচনা/মন্তব্য লিখুন :

আলোচনা/মন্তব্যের জন্য লগ ইন করুন