নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা

লেখক: আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া

বিষয়: ইতিহাস

৫৬০.০০ টাকা ২০% ছাড় ৭০০.০০ টাকা

নবাব আলিবর্দি খানের দৌহিত্র সিরাজ-উদ-দৌলা ছিলেন বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব। সরল, সহজ-বিশ্বাসী ও ধর্মপ্রাণ নবাবের অসাধারণ দেশপ্রেম ছিল। ইংরেজদের শঠতা ও ষড়যন্ত্র এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ আত্মীয় ও প্রধান সেনাপতি মির জাফরের বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হয়ে তিনি রাজ্য ও প্রাণ হারান। তাঁর নামে মিথ্যা অপবাদ ছড়ানো হয়। এ বইয়ে রয়েছে সেই করুণ ইতিহাস। লেখকের বক্তব্যের প্রামাণিকতা এ বইয়ের গ্রহণযোগ্যতা ও মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে। 

সংগ্রহে নেই পছন্দের তালিকায় রাখুন

বইয়ের বিবরণ

এ বইয়ের বিষয় বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা ও তাঁর বংশের প্রামাণ্য ইতিহাস। নবাব আলিবর্দি খান ছিলেন সম্রাট আওরঙ্গজেবের দুধভাই (কোকলতাশ)। বাংলার সুবাদার বাহাদুর খানের পৌত্র এবং নবাব আলিবর্দি খানের দৌহিত্র ছিলেন সিরাজ-উদ-দৌলা। অসাধারণ দেশপ্রেম ছিল তরুণ নবাবের। তিনি ছিলেন সরল, সহজ-বিশ্বাসী ও ধর্মপ্রাণ তরুণ। কীভাবে ইংরেজদের শঠতা, ষড়যন্ত্র ও বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হয়ে তিনি রাজ্য ও প্রাণ হারান এবং কীভাবে তাঁর নামে মিথ্যা অপবাদ ছড়ানো হয়, এ বইয়ে রয়েছে সেই করুণ ইতিহাস। জগৎশেঠ, দুর্লভরাম প্রমুখের সঙ্গে মিলে লোভী, ষড়যন্ত্রকারী, বিশ্বাসঘাতক ও রাজদ্রোহী মির জাফর আলি খান এ দেশ তুলে দেন ইংরেজদের হাতে। মির জাফর ছিলেন সিরাজের প্রধান সেনাপতি ও ঘনিষ্ঠ আত্মীয়। পবিত্র কোরআন স্পর্শ করে সিরাজের কাছে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন তিনি। সে প্রতিজ্ঞা ভেঙে তিনি পলাশীর প্রান্তরে যুদ্ধের নামে একটি প্রহসনের মাধ্যমে সিরাজকে মুষ্টিমেয় ইংরেজ সৈন্যের হাতে পরাজয় বরণ করতে বাধ্য করেছিলেন। সেই ইতিহাস তুলে ধরেছে তথ্যসমৃদ্ধ এ বই। লেখকের বক্তব্যের প্রামাণিকতা এ বইয়ের গ্রহণযোগ্যতা ও মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে। 

আলোর উৎস কিংবা ডিভাইসের কারণে বইয়ের প্রকৃত রং কিংবা পরিধি ভিন্ন হতে পারে।

আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া

জন্ম ১৯১৮ খ্িরষ্টাব্দে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার দরিকান্দি গ্রামে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যে এমএ। ব্রিটিশ আমলের শেষ সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার মাধ্যমে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হন। বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ক্রীড়াবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে অবসর নেন ১৯৭৬ খ্িরষ্টাব্দে। বহুভাষাবিদ। প্রত্নতত্ত্ব, ইতিহাস, নৃতত্ত্ব, মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য ইত্যাদি জ্ঞানবিদ্যার নানা ক্ষেত্রে ছিল তাঁর স্বচ্ছন্দ বিচরণ। প্রথমা প্রকাশন থেকে বেরিয়েছে তাঁর গবেষণাগ্রন্থ নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা ও অনূদিত গ্রন্থ করম আলি খানের মোজাফ্ফরনামা। এ ছাড়া বাংলাদেশের প্রত্নসম্পদ, বাংলাদেশের প্রাচীন কীর্তি (২ খণ্ড), বাংলা সাহিত্যে গাজী-কালু ও চম্পাবতী উপাখ্যান, বরেন্দ্র অঞ্চলের ইতিহাস ইত্যাদি তাঁর উল্লেখযোগ্য বই। ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় অনুবাদ করেছেন বিখ্যাত সিয়ার-উল-মুতাখখিরিন ও তবকাত-ই-নাসিরি। পেয়েছেন বাংলা একাডেমি পুরস্কার ও একুশে পদক। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

এই লেখকের আরও বই
এই বিষয়ে আরও বই
আলোচনা ও রেটিং
০(০)
  • (০)
  • (০)
  • (০)
  • (০)
  • (০)
আলোচনা/মন্তব্য লিখুন :

আলোচনা/মন্তব্যের জন্য লগ ইন করুন