সড়কপথে অক্সফোর্ড থেকে ঢাকা

লেখক: অধ্যাপক এ কে আজাদ খান

বিষয়: ভ্রমণ ও প্রবাস

২০০.০০ টাকা ২০% ছাড় ২৫০.০০ টাকা

১৯৭৭ সালের সেপ্টেম্বর মাস। অক্সফোর্ডে লেখাপড়া ও গবেষণা শেষে লক্ষ মাইলের বেশি চলেছে এমন একটি পুরোনো ভক্সওয়াগন বিটল গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়লেন তিন বন্ধু। ইউরোপ ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশ হয়ে বাংলাদেশে ফেরেন তাঁরা। পথে পথে রাত কাটান তাঁবু খাটিয়ে। এই গ্রন্েথ উঠে এসেছে ভ্রমণকালীন নানান সমস্যা ও তার সমাধানের কথা, বিভিন্ন দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির গল্প, এমনকি সেসব দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে বহুবিচিত্র গল্পও। 

সংগ্রহে নেই পছন্দের তালিকায় রাখুন

বইয়ের বিবরণ

বিশ শতকের সত্তরের দশকের মাঝামাঝি অক্সফোর্ডে পিএইচডি শেষে সড়কপথে দেশে ফেরার পরিকল্পনা করেছিলেন অধ্যাপক এ কে আজাদ খান। তাঁর সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন আরও দুজন—তাঁর স্ত্রী অধ্যাপক কিশোয়ার আজাদ ও তাঁর ভারতীয় বন্ধু অধ্যাপক ভূপেন্দ্রজিৎ সিং আনন্দ। তাঁদের সঙ্গী হলো ভারতীয় বন্ধুর একটি ভক্সওয়াগন। ব্রিটেন থেকে ইউরোপ ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশের ওপর দিয়ে আসতে গিয়ে সেসব দেশ, দেশের মানুষ ও তাদের সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীরভাবে জানাই ছিল তাঁদের আসল লক্ষ্য।

বাংলাদেশে ফেরার পথে বিভিন্ন দেশে হোটেলে থাকার বদলে রাত কাটিয়েছেন  ক্যাম্পিং করে। গাড়ি চালিয়ে গেছেন এক দেশ থেকে অন্য দেশে। ভ্রমণের সময় নানান অভিজ্ঞতা হয়েছে। পরিচয় হয়েছে নানা ধরনের মানুষ ও নানা সংস্কৃতির সঙ্গে। সড়কপথে অক্সফোর্ড থেকে ঢাকায় আসার সেই সব অভিজ্ঞতার গল্প নিয়েই এ বই।

এ বইয়ে প্রসঙ্গক্রমে যুক্ত হয়েছে বিভিন্ন দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যের নানা বিষয়, বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে চিত্তাকর্ষক নানা গল্প। ভ্রমণপিপাসু আর বিভিন্ন দেশ ও দেশের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে আগ্রহী পাঠকদের এই বই ভালো লাগবে। 

আলোর উৎস কিংবা ডিভাইসের কারণে বইয়ের প্রকৃত রং কিংবা পরিধি ভিন্ন হতে পারে।

অধ্যাপক এ কে আজাদ খান

জন্ম ২ মে ১৯৪১, বাকেরগঞ্জ, বরিশাল। চিকিৎসাবিজ্ঞানী, গবেষক। চিকিৎসাবিজ্ঞানে বিশেষ ভূমিকার জন্য ১৯৯৯ সালে সুইজারল্যান্ডের বাসেল ইউনিভার্সিটি থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন। বাংলাদেশে ডায়াবেটিস স্বাস্থ্যসেবা সম্প্র্রসারণ এবং ডায়াবেটিস ও অসংক্রামক রোগ সম্পর্কে গণসচেতনতা সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। বহু গ্রন্েথর প্রণেতা। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জার্নালে ১৩৫টির বেশি বৈজ্ঞানিক নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি, ইউনিভার্সিটি কলেজ অব লন্ডনের সাম্মানিক ফেলো ও ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবেটিস ফেডারেশনের সাম্মানিক সদস্য। ডায়াবেটিক রোগীদের জীবনমানের উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকার জন্য সারা বিশ্বে তিনিই একমাত্র ব্যক্তি, যিনি ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবেটিস ফেডারেশন থেকে লাভ করেছেন গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড।

এই বিষয়ে আরও বই
আলোচনা ও রেটিং
০(০)
  • (০)
  • (০)
  • (০)
  • (০)
  • (০)
আলোচনা/মন্তব্য লিখুন :

আলোচনা/মন্তব্যের জন্য লগ ইন করুন