বড় প্রশ্ন ছোট উত্তর

লেখক: স্টিফেন হকিং, আবুল বাসার

বিষয়: গণিত, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

২৪০.০০ টাকা ২৫% ছাড় ৩২০.০০ টাকা

আক্ষরিক অর্থেই এটি তাত্ত্বিক পদার্থবিদ স্টিফেন হকিংয়ের শেষ বই । সারা জীবন তিনি বড় বড় প্রশ্ন নিয়ে ভেবেছেন। সেসবের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেছেন। এ বই হকিংয়ের এসব চিন্তা এবং গবেষণার সংকলন। বইটিতে মহাবিশ্বের জন্ম, বিগ ব্যাং, স্থান-কাল, কৃষ্ণগহ্বর, টাইম ট্রাভেলের মতো হকিংয়ের প্রিয় বিষয়গুলো ছাড়াও কৃত্রিমবুদ্ধিমত্তা, মহাকাশ ভ্রমণ, এলিয়েন, জিনপ্রযুক্তি, নিউক্লিয়ার যুদ্ধ এবং মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলােচনা করেছেন তিনি। এসব বিষয়ে সাধারণের মধ্যে যেসব প্রশ্ন জাগে, তার উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছেন হকিং।

পছন্দের তালিকায় রাখুন

বইয়ের বিবরণ

আমাদের কালের নায়ক স্টিফেন হকিং জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত নিজের গবেষণা আর লেখালেখি চালিয়ে গেছেন, ব্যস্ত থেকেছেন নিজের শেষ বইয়ের পাণ্ডুলিপি নিয়ে । কিন্তু সেটি পুরোপুরি শেষ করে যেতে পারেননি। হকিংয়ের মৃত্যুর পর তার পরিবারের সদস্য এবং বন্ধুরা কাজটি শেষ করেন। এ কাজে যুক্ত ছিলেন কিপ থর্ন, পল ডেভিস, মাটিন রিসসহ অনেকেই। ২০১৮ সালের জুলাইয়ে বইটি 'ব্রিফ আনসারস টু দ্য বিগ কোয়েশ্চনস' শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছে। তারই বাংলা অনুবাদ 'বড় প্রশ্ন ছােট।উত্তর'।

জীবনভর বড় বড় প্রশ্ন নিয়ে ভেবেছেন হকিং। সেসবের উত্তর খুঁজছেন। এই বই হকিংয়ের এসব চিন্তা ও গবেষণার সংকলন। বইটি মহাবিশ্বের জন্ম, বিগ ব্যাং, স্থান-কাল, কৃষ্ণগহ্বর, টাইম ট্রাভেলের মতে হকিংয়ের প্রিয় বিষয়গুলো ছাড়াও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মহাকাশ ভ্রমণ, এলিয়েন, জিনপ্রযুক্তি, নিউক্লিয়ার যুদ্ধ এবং মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করেছেন তিনি।

বইটির মুখবন্ধ লিখেছেন 'দ্য থিওরি অব এভরিথিং' চলচ্চিত্রে স্টিফেন হকিংয়ের নাম ভূমিকায় অভিনয় করা ব্রিটিশ অভিনেতা এডি রেডম্যান। আর মহাকর্ষ তরঙ্গ শনাক্তে অবদান রেখে ২০১৭ সালের নোবেল বিজয়ী মার্কিন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী কিপ থর্নের লেখা ভূমিকা বইটিকে অন্য মাত্রা দিয়েছে। শেষ কথা লিখেছেন হকিংয়ের মেয়ে লুসি। এ তিনটি রচনা স্টিফেন হকিং এবং তাঁর গবেষণায় নতুন আলাে ফেলেছে।

আলোর উৎস কিংবা ডিভাইসের কারণে বইয়ের প্রকৃত রং কিংবা পরিধি ভিন্ন হতে পারে।

স্টিফেন হকিং

জন্ম ১৯৪২ সালের ৮ জানুয়ারি, যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ডে। বিজ্ঞানে আবিষ্কারের নতুন দিগন্ত যেমন তিনি খুলে দিয়েছেন, তেমনি জটিল বিষয়গুলো সাধারণ পাঠকদের কাছে সহজ ভাষায় তুলে ধরেছেন জনপ্রিয় ধারার বই লিখে। সেখানেও সফলতার প্রমাণ পাওয়া যায় তাঁর আ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম বইটি প্রকাশের পর। লন্ডন সানডে টাইমস-এ এটি টানা ২৩৭ সপ্তাহ বেস্ট সেলার তালিকায় থেকেছে। তিনি বিজ্ঞান নিয়ে লিখেছেন আরও কিছু বই। বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ার সময়েই হকিংয়ের দুরারোগ্য মোটর নিউরন রোগ ধরা পড়ে। সেসময় চিকিৎসকেরা তাঁর আয়ু মাত্র দু’বছর বেঁধে দিয়েছিলেন। কিন্তু অদম্য মানসিক শক্তির জোরে তিনি পড়ালেখা ও গবেষণা চালিয়ে যান। দৈহিক অক্ষমতা জয় করে একসময় কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের লুকাসিয়ান অধ্যাপক হিসেবে টানা ৩০ বছর দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ২০১৪ সালে তাঁকে নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। নাম দ্য থিওরি অব এভরিথিং।

আবুল বাসার

জন্ম ১৯৭৭, পাবনায়। শের-ই-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক। জনপ্রিয় কিশোর ম্যাগাজিন কিশোর আলোর সহকারী সম্পাদক ছিলেন। বর্তমানে বিজ্ঞানচিন্তার নির্বাহী সম্পাদক। এর আগে স্টিফেন হকিংয়ের দ্য ব্রিফার হিস্ট্রি অব টাইম অনুবাদ করেছেন সময়ের সংক্ষিপ্ততর ইতিহাস শিরোনামে।

এই লেখকের আরও বই
এই বিষয়ে আরও বই
আলোচনা ও রেটিং
০(০)
  • (০)
  • (০)
  • (০)
  • (০)
  • (০)
আলোচনা/মন্তব্য লিখুন :

আলোচনা/মন্তব্যের জন্য লগ ইন করুন