২,৮৮০.০০ টাকা ২৫% ছাড় ৩,৮৪০.০০ টাকা

বিপুলা পৃথিবী - আনিসুজ্জামান - ৮০০

চাবিকাঠির খোজে: নতুন আলোকে জীবনানন্দের বনলতা সেন - আকবর আলি খান -৪৫০

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা - সৈয়দ আবুল মকসুদ – ৬৫০

জীবনের বালুকাবেলায় - ফারুক চৌধুরী – ৮০০

রামগোলাম - হরিশংকর জলদাস- ৩৫০

মামলার সাক্ষী ময়না পাখি – শাহাদুজ্জামান – ২৪০

বাংলার দর্শন : প্রাক্-উপনিবেশ – রায়হান রাইন – ৫৫০

পছন্দের তালিকায় রাখুন

বইয়ের বিবরণ

আলোর উৎস কিংবা ডিভাইসের কারণে বইয়ের প্রকৃত রং কিংবা পরিধি ভিন্ন হতে পারে।

সৈয়দ আবুল মকসুদ

জন্ম মানিকগঞ্জে, ১৯৪৬ সালে। বাংলাদেশের বিশিষ্ট লেখক-গবেষক, জনপ্রিয় কলামিস্ট, পরিবেশ ও সামাজিক আন্দোলনে নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিত্ব ও মানবাধিকার কর্মী। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্েথর মধ্যে রয়েছে: কবিতা: বিকেলবেলা, দারা শিকোহ ও অন্যান্য কবিতা ; প্রবন্ধ: যুদ্ধ ও মানুষের মূর্খতা, বাঙালির সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার, পূর্ববঙ্গে রবীন্দ্রনাথ, রবীন্দ্রনাথের ধর্মতত্ত্ব ও দর্শন, ঢাকায় বুদ্ধদেব বসু প্রভৃতি; জীবনী: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর জীবন ও সাহিত্য, মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, গোবিন্দচন্দ্র দাসের ঘর-গেরস্থালি ; ভ্রমণকাহিনি: জার্মানীর জার্নাল, পারস্যের পত্রাবলি। বাংলাদেশে গান্ধী-গবেষণার পথিকৃৎ। তাঁর গান্ধী-বিষয়ক গ্রন্থ: Gandhi, Nehru and Noakhali ও Gandhi Camp। চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত দৈনিক সুপ্রভাত বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক। বাংলা একাডেমি পুরস্কার, ঋষিজ পুরস্কারসহ বিভিন্ন পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

আকবর আলি খান

জন্ম ১৯৪৪ সালে। ইতিহাসে অনার্স ও এমএ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। কানাডার কুইন্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এমএ ও পিএইচডি। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন: পাকিস্তানি জান্তা তাঁর অনুপস্থিতিতে তাঁকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে। বাংলাদেশ সরকারের অর্থসচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও বিশ্বব্যাংকের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক ছিলেন, উপদেষ্টা ছিলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের। বর্তমানে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করছেন। অর্থনীতি বিষয়ে তাঁর দুটি পাঠকপ্রিয় গ্রন্থ পরার্থপরতার অর্থনীতি এবং আজব ও জবর-আজব অর্থনীতি। তাঁর Discovery of Bangladesh I Some Aspects of Peasant Behavior in Bengal বই দুটি দেশে-বিদেশে প্রশংসিত। তাঁর আরও দুটি উল্লেখযোগ্য বই Gresham’s Law Syndrome and Beyond I Friendly Fires, Humpty Dumpty Disorder and Other Essays। জীবনানন্দ বিষয়ে লিখেছেন চাবিকাঠির খোঁজে। তাঁর বাংলা রচনা সম্পর্কে কলকাতার দেশ পত্রিকার মন্তব্য, ‘এই লেখক লিখতে জানেন।’

হরিশংকর জলদাস

জন্ম ১৯৫৫ সালের ১২ অক্টোবর, চট্টগ্রামের উত্তর পতেঙ্গা গ্রামের জেলেপল্লিতে। লেখালেখি শুরু করেছেন মধ্যবয়সে। প্রথম উপন্যাস জলপুত্র। শুরুতেই পাঠকের কাছে সমাদৃত হয়েছেন। কারণ তিনি শুধু কাহিনি লেখেন না, সমাজকেও আঁকেন। তাঁর কয়েকটি উপন্যাস—দহনকাল, কসবি, মোহনা, রামগোলাম, প্রতিদ্বন্দ্বী, আমি মৃণালিনী নই। গল্পগ্রন্েথর মধ্যে রয়েছে জলদাসীর গল্প, হরকিশোরবাবু, কোনো এক চন্দ্রাবতী। বাংলা একাডেমি পুরস্কার, আলাওল সাহিত্য পুরস্কার, প্রথম আলো বর্ষসেরা বই পুরস্কারসহ এ পর্যন্ত বেশ কয়েকটি পুরস্কার পেয়েছেন। গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার।

শাহাদুজ্জামান

শাহাদুজ্জামানের জন্ম ১৯৬০ সালে ঢাকায়। পড়াশোনা মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে। নেদারল্যান্ডসের আমস্টার্ডাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি অর্জন করেন চিকিৎসা নৃবিজ্ঞানে। পেশাগতভাবে তিনি চিকিৎসক হিসেবে কাজ করেছেন উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের গ্রামীণ স্বাস্থ্য প্রকল্পে, পরে অধ্যাপনা করেছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে। বর্তমানে তিনি যুক্তরাজ্যের গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা ও অধ্যাপনায় যুক্ত আছেন। গল্প, উপন্যাস ছাড়াও প্রবন্ধ, অনুবাদ, ভ্রমণ ও গবেষণার ক্ষেত্রে রয়েছে তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ। মাওলা ব্রাদার্স আয়োজিত কথাসাহিত্যের পাণ্ডুলিপি প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ পুরস্কার পেয়ে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম গল্পগ্রন্থ কয়েকটি বিহ্বল গল্প (১৯৯৬)। কথাসাহিত্যে অবদানের জন্য ২০১৬ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন তিনি। Email : [email protected]

রায়হান রাইন

জন্ম ৮ মার্চ ১৯৭১, সিরাজগঞ্জে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শন বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর। এখন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের শিক্ষক। গল্প লেখার শুরু ছাত্রাবস্থায়, নিসর্গ ছোটকাগজে, ১৯৯৬ সালে। অন্যান্য বই—উপন্যাস: আগুন ও ছায়া ; গল্প: আকাশের কৃপাপ্রার্থী তরু, পাতানো মায়ের পাহাড়, স্বপ্নের আমি ও অন্যরা ; কবিতা: তুমি ও সবুজ ঘোড়া, একদিন সুবচনী হাঁস ; অনুবাদ: মনসুর আল-হাল্লাজের কিতাব আল-তাওয়াসিন (২০১০), পাবলো নেরুদার প্রশ্নপুস্তক ; সম্পাদনা: বাংলার ধর্ম ও দর্শন। তাঁর আগুন ও ছায়া উপন্যাসটি ১৪২০ বঙ্গাব্দে ‘প্রথম আলো বর্ষসেরা বই’ হিসেবে পুরস্কৃত হয়।

ফারুক চৌধুরী

জন্ম ১৯৩৪ সালের ৪ জানুয়ারি, ভারতের আসাম রাজ্যের করিমগঞ্জে। ভারতসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্রসচিব। ১৯৮৫ সালে সার্কের জন্মলগ্নে প্রথম সার্ক শীর্ষ সম্মেলনের মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯২ সালে সরকারি চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের উপদেষ্টা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে ব্র্যাক পরিচালনা পর্ষদ এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য; বেসরকারি গৃহায়ণ প্রতিষ্ঠান ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিংয়ের চেয়ারম্যান। তাঁর লেখা বইয়ের মধ্যে রয়েছে জীবনের বালুকাবেলায়, দেশ দেশান্তর, প্রিয় ফারজানা, নানাক্ষণ নানাকথা, স্বদেশ স্বকাল স্বজন, সময়ের আবর্তে ইত্যাদি। তিনি একজন বিশিষ্ট কলাম-লেখক এবং আন্তর্জাতিক বিষয়াদির বিশ্লেষক। সাহিত্যে অবদানের জন্য পেয়েছেন বাংলা একাডেমি পুরস্কার ও আইএফআইসি ব্যাংক সাহিত্য পুরস্কার।

আনিসুজ্জামান

আনিসুজ্জামানের জন্ম ১৯৩৭ সালে, কলকাতায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় বি এ অনার্স, এম এ এবং পিএইচ ডি ডিগ্রি লাভ করেছেন। গবেষণা করেছেন শিকাগো ও লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে, যুক্ত ছিলেন জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা-প্রকল্পে। শিক্ষকতা করেছেন ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে। প্যারিস, নর্থ ক্যারোলাইনা স্টেট ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিজিটিং ফেলো ছিলেন, বিশ্বভারতীতে ভিজিটিং প্রফেসর। সাহিত্য ও সমাজ সম্পর্কে ইংরেজি ও বাংলায় লিখিত ও সম্পাদিত তাঁর গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে ঢাকা, কলকাতা, লন্ডন ও টোকিও থেকে। বাংলা একাডেমী পুরস্কার ও রাষ্ট্রীয় সম্মান একুশে পদক পেয়েছেন; পেয়েছেন আনন্দ পুরস্কার, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সরোজিনী বসু পদক, এশিয়াটিক সোসাইটির পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর স্মারক ফলক ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জন্মশতবার্ষিক স্মারক ফলক এবং রবীন্দ্রভারতীর সাম্মানিক ডি লিট্। মুক্তিযুদ্ধের সময়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ছিলেন। এখন বাংলা একাডেমীর সভাপতি।

এই বিষয়ে আরও বই
আলোচনা ও রেটিং
০(০)
  • (০)
  • (০)
  • (০)
  • (০)
  • (০)
আলোচনা/মন্তব্য লিখুন :

আলোচনা/মন্তব্যের জন্য লগ ইন করুন