বাংলার এক মধ্যবিত্তের আত্মকাহিনী

লেখক: কামরুদ্দীন আহমদ

বিষয়: জীবনী/আত্মকথা/স্মৃতিকথা, সমাজ-ইতিহাস গ্রন্থমালা

৬০০.০০ টাকা ২০% ছাড় ৭৫০.০০ টাকা

কামরুদ্দীন আহমদ তাঁর এ বইয়ে ১৯৫৩ থেকে ১৯৬২ সাল পর্যন্ত প্রায় এক দশকের স্মৃতিচারণা করেছেন। একজন রাজনীতিক ও কূটনীতিক হিসেবে লেখক এ সময় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অনেক ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বা সাক্ষী ছিলেন। সেসব অভিজ্ঞতার কথাই তিনি সরল ও প্রাঞ্জল ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক ভঙ্গিতে এ বইয়ে তুলে ধরেছেন। বইটিতে এমন অনেক তথ্য আছে, অন্য কোথাও যা পাওয়া যায় না। সাধারণ পাঠকের কৌতূহল মেটানোর পাশাপাশি বইটি গবেষক ও পণ্ডিতদেরও কাজে লাগবে। 

পছন্দের তালিকায় রাখুন

বইয়ের বিবরণ

কামরুদ্দীন আহমদ তাঁর বাংলার এক মধ্যবিত্তের আত্মকাহিনী  বইটিতে ১৯৫৩ থেকে ১৯৬২ সাল পর্যন্ত প্রায় এক দশকের স্মৃতিচারণা করেছেন। এ দেশের তথা বিশ্বরাজনীতির ইতিহাসে এই সময়টি নানা কারণেই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এই কালপর্বেই পূর্ব বাংলায় সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা গঠিত হয়। পাকিস্তানে সামরিক বাহিনীর ক্ষমতা দখলের ব্যাপারটিও এ সময়ই ঘটে। যুক্তফ্রন্টের নির্বাচন প্রস্ত্ততি ও প্রচারণায় কামরুদ্দীন আহমদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। ফ্রন্ট মন্ত্রিসভা গঠন ও সরকারের পরবর্তী ভাঙাগড়া, পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় রাজনীতি ও সেখানে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, চক্রান্ত ইত্যাদির তিনি ছিলেন একজন প্রত্যক্ষদর্শী। কলকাতায় ও রেঙ্গুনে কূটনৈতিক দায়িত্ব পালনের সূত্রে ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং সমকালীন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নানা ঘটনাপ্রবাহেরও তিনি ছিলেন একজন সাক্ষী। সোহরাওয়ার্দীর প্রধানমন্ত্রিত্বের আমলে পাকিস্তানের প্রতিনিধি হিসেবে জাতিসংঘ অধিবেশনে তিনি যোগ দিয়েছিলেন। কর্মসূত্রে দেশ-বিদেশের অনেক বিশিষ্ট ও বিখ্যাত মানুষের সংস্পর্শে এসেছিলেন তিনি। এসব অভিজ্ঞতার কথা অত্যন্ত সরল ও প্রাঞ্জল ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক ভঙ্গিতে লেখক এ বইয়ে তুলে ধরেছেন। বইটিতে এমন অনেক তথ্য আছে, যা সচরাচর অন্যত্র পাওয়া যায় না। সাধারণ পাঠকের কৌতূহল মেটানোর পাশাপাশি বইটি গবেষক ও পণ্ডিতদেরও কাজে লাগবে। 

আলোর উৎস কিংবা ডিভাইসের কারণে বইয়ের প্রকৃত রং কিংবা পরিধি ভিন্ন হতে পারে।

এই লেখকের আরও বই
এই বিষয়ে আরও বই
আলোচনা ও রেটিং
০(০)
  • (০)
  • (০)
  • (০)
  • (০)
  • (০)
আলোচনা/মন্তব্য লিখুন :

আলোচনা/মন্তব্যের জন্য লগ ইন করুন