ভালমানুষের জগৎ

লেখক: সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

বিষয়: কথাসাহিত্য

২৪০.০০ টাকা ২০% ছাড় ৩০০.০০ টাকা

বইয়ের বিবরণ

এ বইয়ের এগারোটি গল্পের প্রত্যেকটিতেই ব্যক্তি আছে, আর আছে ঘটনা। ব্যক্তি থাকলে ঘটনা তো থাকবেই। ব্যক্তির কারণেই এবং ব্যক্তিকে ঘিরেই তো ঘটনা। কিন্তু  ব্যক্তির সমস্যাই প্রধান। ব্যক্তির জন্য মূল সমস্যাটা দাাঁড়িয়েছে আত্মপরিচয়ের। আত্মপরিচয়ের সূত্রে ও সীমানা-নির্ধারণ করে দিতে অন্য মানুষেরা আসে। তারা অপরজন ও আপনজন হিসেবে আসে; উপস্থিত হয় শত্রুপক্ষ হিসেবেও। গল্পের মানুষগুলো আমাদের সহানুভূতির দাবী করে। এর প্রধান কারণ লেখক নিজেও তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল। সহানুভূতি অবশ্য শিল্পের সীমা লঙ্ঘন করেনি। 
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী শুরু করেছিলেন গল্প লেখক হিসেবেই; তিনি একাধিক উপন্যাসও লিখেছেন। কিন্তু তাঁর বিশেষ ক্ষেত্রটি দাঁড়িয়ে গেছে প্রবন্ধ। তাঁর লেখা প্রবন্ধে গল্পের খোঁজ পাওয়া যায়, তবে গল্পে যাতে প্রবন্ধ না ঢুকে পড়ে সে বিষয়ে তিনি ভালো মতোই সচেতন। গল্পগুলোর ভেতরে প্রবন্ধের অনুপ্রবেশ তাই ঘটেনি; তবে ইতিহাস আছে। ব্যক্তি তো ইতিহাসের দ্বারাই নিয়ন্ত্রিত। ইতিহাস তাই অনিবার্য। 
ব্যক্তির আত্মপরিচয়ের সঙ্কটটা যেমন ব্যক্তিগত, তেমনি আবার সমষ্টিগতও। এই দ্বৈত সত্যের আভাসও গল্পগুলোতে পাওয়া যাবে।

আলোর উৎস কিংবা ডিভাইসের কারণে বইয়ের প্রকৃত রং কিংবা পরিধি ভিন্ন হতে পারে।

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

জন্ম ২৩ জুন ১৯৩৬, বিক্রমপুরের বাড়ৈখালী। শিক্ষাজীবন কেটেছে রাজশাহী, কলকাতা ও ঢাকায়; পরে ইংল্যান্ডের লিডস ও লেস্টারে। ১৯৫৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে লেকচারার হিসেবে যোগ দেন। ২০০৮ সালে ইমেরিটাস প্রফেসর হিসেবে স্থায়ী হন। প্রধানত প্রবন্ধ লেখেন। গল্প-উপন্যাস লিখেছেন, অনুবাদও করেছেন। বইয়ের সংখ্যা প্রায় এক শ। নিয়মিত সম্পাদনা করছেন ত্রৈমাসিক নতুন দিগন্ত। ওসমানী উদ্যান, লালনের আখড়া এবং আড়িয়াল বিল রক্ষা আন্দোলনসহ অনেক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

এই লেখকের আরও বই
এই বিষয়ে আরও বই
আলোচনা ও রেটিং
০(০)
  • (০)
  • (০)
  • (০)
  • (০)
  • (০)
আলোচনা/মন্তব্য লিখুন :

আলোচনা/মন্তব্যের জন্য লগ ইন করুন