দিনপঞ্জি-মনপঞ্জি-ডাকঘর



BDT360.00
BDT450.00
Save 20%

মুনীর চৌধুরীর দিনপঞ্জির সকল ভুক্তিই লিলি চৌধুরীর উদ্দেশে নিবেদিত। তাই প্রেমের অদম্য আবেগ প্রকাশ পেয়েছে এর পাতায় পাতায়। তবে তারও অতিরিক্ত কিছু আছে এতে। শিল্পসৃষ্টির প্রয়াস সচেতনভাবে দূর করতে চেয়েছেন তিনি, কিন্তু শিল্পদৃষ্টি ত্যাগ করতে পারেননি।

লিলি চৌধুরীর ক্ষতবিক্ষত হৃদয়ের রক্তক্ষরণ আর তার কামনা-বাসনার অকপট ও অলজ্জিত প্রকাশ আছে তাঁর ডায়েরির সর্বত্র। মুনীর চৌধুরীর রচনার পরিপূরক তাঁর এই লেখাটি যে তিনি অন্যদের অনুরোধে জনসমক্ষে আনতে সম্মত হয়েছেন, তাতে আমরা লাভবান হয়েছি।

আনিসুজ্জামান 

Quantity


  • Security policy (edit with Customer reassurance module) Security policy (edit with Customer reassurance module)
  • Delivery policy (edit with Customer reassurance module) Delivery policy (edit with Customer reassurance module)
  • Return policy (edit with Customer reassurance module) Return policy (edit with Customer reassurance module)

১৯৪৯ সালের ৯ মার্চ পাকিস্তান সরকারের পুলিশ মুনীর চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করে। নাট্যকর্মী লিলি চৌধুরীর (তখন লিলি মির্জা) সঙ্গে তখন তাঁর এতটা গভীর প্রণয় যে, একজন আরেকজনকে না দেখে থাকতে পারেন না। তাঁদের বিয়েও প্রায় পাকা। জেলে থাকার কারণে তাঁদের মধ্যে তৈরি হলো বিচ্ছেদ। মুনীর চৌধুরী তখন লিলি চৌধুরীকে উদ্দেশ করে লেখেন তাঁর ‘দিনপঞ্জি-মনপঞ্জি’। এর প্রথম অংশে আছে দিনলিপি এবং দ্বিতীয় অংশে ‘জটিলতা’ শীর্ষক একটি গল্পের ভেতর দিয়ে তাঁর মনোবাসনার উপস্থাপন। এ রচনায় কারাবাসের যন্ত্রণার চেয়ে বিচ্ছেদের বেদনাই প্রকাশ পেয়েছে বেশি। পক্ষান্তরে লিলি চৌধুরী তখন বাবার বাড়িতে থেকে একই বিচ্ছেদ-যন্ত্রণা ভোগ করেছেন আর মুনীর চৌধুরীকে উদ্দেশ করে লিখেছেন ‘ডাকঘর’। আজ থেকে ৬৫ বছর আগে, ২৪ বছর বয়সী মুনীর চৌধুরী এবং ২১ বছর বয়সী লিলি চৌধুরী ডায়েরিতে তাঁদের বিরহের যে বেদনা লিপিবদ্ধ করেছেন, আজও তা অত্যন্ত প্রাণময়। এ গ্রন্থটির পাঠ হবে পাঠকের জন্য এক অনন্য অভিজ্ঞতা। 

Reviews

No customer reviews for the moment.