ঘুরে বেড়াই আদিম গুহায়



BDT128.00
BDT160.00
Save 20%

আমরা সবাই গাইডের পেছন পেছন গুহার ভেতরে দৈত্যদের দরবারে চলে আসি। এখানে ছাদ এত উঁচু যে তা দেখাতে গেলে গাইডের মাথা থেকে খুলে পড়ে হ্যাট। দৈত্যদের দরবার খুব উঁচু। চাইলে এখানে তৈরি করা যায় ষোলোতলা দালান।

দরবারে সাদা ও হলুদ রঙের কারুকাজ করা অনেক স্তম্ভ। একটির নাম ‘সম্রাজ্ঞীর নিজস্ব স্তম্ভ’। এসব দেখে ডুমাঝিল ‘ইশ্ ইশ্ ইশ্’ আওয়াজ করে। কোনো কিছু দেখে আশ্চর্য হলে জুলুরা ‘ইশ্ ইশ্ ইশ্’ শব্দ করে, অনেকটা আমাদের ‘বাপ রে বাপ’ বলার মতো।

সামনে যেতে যেতে গাইড মুখে আঙুল তুলে ফিসফিসিয়ে বলেন, ‘খেয়াল করে দেখো পাথরের ছাতার নিচে সিন্দুকের মতো জায়গাটি। আজ থেকে সাড়ে সাত শ বছর আগে এখানে ঘুমিয়ে ছিল এক রেড ইন্ডিয়ান রাজকুমারী।’ 

Quantity


  • Security policy (edit with Customer reassurance module) Security policy (edit with Customer reassurance module)
  • Delivery policy (edit with Customer reassurance module) Delivery policy (edit with Customer reassurance module)
  • Return policy (edit with Customer reassurance module) Return policy (edit with Customer reassurance module)

মঈনুস সুলতান কিশোর-কিশোরীদের জন্য লিখেছেন এই গুহাভ্রমণের বৃত্তান্ত। স্ত্রী-কন্যা নিয়ে তিনি বাস করেছেন পৃথিবীর নানা দেশে। আদিম গুহায় ঘুরে বেড়াতে ভালো লাগে তাঁদের। কন্যা কাজরিকে নিয়ে তিনি বেড়াতে যান লাওসের তন হাইহিন গুহা, দক্ষিণ আফ্রিকার মারোপেং গুহা আর জিম্বাবুয়ের সিনহোয়ি গুহায়। এই তিন গুহাভ্রমণের চমকপ্রদ ও কৌতূহলোদ্দীপক বর্ণনা আছে এ বইয়ে। আরও আছে যুক্তরাষ্ট্রের লাউরে ক্যাভার্নস, ইন্ডিয়ান ইকো ক্যাভার্নস আর সি-লায়ন গুহায় ঘুরে বেড়ানোর গল্প। মঈনুস সুলতান কোনো সাধারণ বর্ণনা দেন না। তিনি প্রকৃতি, জীবজন্তু আর মানুষ মিলিয়ে এমন এক প্রাণময় জগৎ তৈরি করেন, যা পাঠককে একই সঙ্গে আনন্দিত ও বিস্মিত করে। গুহাগুলো সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক নানা তথ্য বইটিকে আরও আকর্ষণীয় করেছে। ফলে, এ বই ছোটদের পাশাপাশি ভালো লাগবে বড়দেরও। 

Reviews

No customer reviews for the moment.