জেনারেল ও নারীরা



BDT262.50
BDT350.00
Save 25%

‘বারবনিতা আর বেশ্যার দালালদের প্রেসিডেন্ট হাউসে 

যাতায়াত ছিল অঢেল ও অবাধ। নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার আরকি। তাঁদের কজন আবার বেশ হাই স্ট্যাটাস ভোগ করতেন।

...কুখ্যাত তবে মোহময়ী রমণীদের পাল ঘুরে বেড়াত ভবনের সর্বত্র। তাঁরা ধূমপান করতেন, মদ পান করতেন, নেচে-গেয়ে হেলেদুলে হই-হুল্লোড় করতেন।

পুলিশ বাহিনীতে এসব নিয়ে গোপন হাসি-তামাশার কমতি ছিল না। তারা প্রেসিডেন্ট হাউসের নাম দিয়েছিল কাঞ্জারখানা (পতিতালয়), সামরিক সদর দপ্তরকে দঙ্গরখানা (পশুর আখড়া) আর নিজেদের পুলিশ লাইনকে লঙ্গরখানা (খাদ্যালয়)।’

সরদার মুহাম্মদ চৌধুরী

পাকিস্তান পুলিশের সাবেক আইজি 

Quantity


  • Security policy (edit with Customer reassurance module) Security policy (edit with Customer reassurance module)
  • Delivery policy (edit with Customer reassurance module) Delivery policy (edit with Customer reassurance module)
  • Return policy (edit with Customer reassurance module) Return policy (edit with Customer reassurance module)

পাকিস্তানের প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক ও প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের ছিল অসংখ্য প্রেমিকা। ওই সময় রাষ্ট্রপতি ভবনকে পাকিস্তানের পুলিশেরাই অভিধা দিয়েছিল ‘পতিতালয়’। সরকারি রিপোর্টেই শত শত নারীর উল্লেখ পাওয়া যায়, যাঁরা ইয়াহিয়ার কাছে গিয়েছিলেন।

রোম যখন পুড়ছিল, নিরো তখন বাঁশি বাজাচ্ছিল। আরেক রমণীমোহন পাকিস্তানি পুরুষ ভুট্টোর সঙ্গে মিলে ইয়াহিয়া, তাঁর দোসররা ও তাঁর বাহিনী লাখ লাখ বাঙালিকে হত্যা করেছে বাঙালিরা তাদের ন্যাঘ্য দাবি উত্থাপন করেছিল বলে। সেই অন্যায়ে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিক্সন ও তাঁর উপদেষ্টা কিসিঞ্জার। কিন্তু সবাই মিলেও তাঁরা রোধ করতে পারেননি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়। 

Reviews

No customer reviews for the moment.